কৃষিজীবী মানুষের ক্ষমতায়ন
সমৃদ্ধ ভারত গড়ে, তোলার লক্ষ্যে, ভারত সরকার কেন্দ্রের এন ডিএ সরকার কৃষির বিকাশ ও উন্নয়নে তথা কৃষিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। কৃষকরা হলেন দেশের মেরুদণ্ড তাই সেচের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদনশীলটাকে উৎসাহিত করবে “প্রধানমন্ত্রী কৃষি সিঁচাই যোজনা” দেশের চোদ্দো কোটি কৃষি জমিকেই এই যোজনার আওতায় নিয়ে আসা হয়। এই কমসূচির মূল লক্ষ্য হল কৃষিযোগ্য ও উর্বর ভূমির উৎপাদনশীলতার বিকাশ ও উন্ময়ন গোরখপুর, বারাউনি এবং টালচের সার প্রকল্পগুলির পুনরুজ্জীবনে একটি নতুন ইউরিয়া নীতির কথাও ঘোষণা করা হয়েছে, এই কর্মসূচির অন্তর্গত মাটির নমুনা পরীক্ষার লক্ষ্যে তিন বছরের মধ্যে ২৪৮ লক্ষ নমুনাকে গবেষণাগারে বিশ্লেষণী পদ্ধতির মধ্যে নিয়ে আসা হবে বলে জানানো হয়েছে সরকারের তরফ থেকে।
জৈব পদ্ধতিতে কৃষিকাজে উৎসাহ দিতে সূচনা হয়েছে ‘পরম্পরাগত কৃষি বিকাশ যোজনা’ কর্মসূচিটির। জৈব পদ্ধতিতে কৃষিকাজ এবং এইভাবে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ওপর জোর দিতে এক বিশেষ কর্মসূচি চালু হয়েছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। এখানেই শেষ নয়, মোবাইল ফোনের সুযোগসুবিধা আজ সম্প্রসারিত হয়েছে কৃষিজীবী মানুষের কাছেও।
প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত রাখতে ১ কোটি কৃষি-নির্ভর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ৫ হাজার ৫০০ কোটিরও বেশি এসএমএস অর্থাৎ, মোবাইল বার্তা। কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চালু হয়েছে “সয়েল হেলথ কার্ড ও”।
আমি কস্তুরী রায় নেতাজি সুভাষ ওপেন ইউনিভার্সিটিতে সাংবাদিকতার ছাত্রী। আমার সংবাদের বিষয় হলো খেলাধূলা এবং উন্নয়ন মূলক সংবাদ।